
বেঙ্গল এডিটর :: এযাবৎ কালে দুর্গাপুরের ইতিহাসে এই প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে “ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ার” । গত পাঁচ তারিখ থেকে দুর্গাপুরের গান্ধী মোড় সংলগ্ন ময়দানে চলছে এই মেলা । চলবে আগামী ১৫ ই ফ্রেব্রুয়ারী পর্যন্ত। মেলায় প্রবেশের জন্য টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে 20 টাকা । এ পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল ।
কিন্তু এত আয়োজনের পরেও কোথাও যেন একটা তাল কেটে যাওয়ার সুর ভাসছে । দুর্গাপুরের এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিন দুর্গাপুরের সাংবাদিকদের সমবেত আবেদনে সারা দিয়ে উধবোধন মঞ্চে এ ডি ডি এর চেয়ারম্যান মাননীয় তাপস ব্যানার্জী মহাশয় উদ্যোক্তাদের টিকিটের মূল্য ২০ টাকার জায়গায় ১০ টাকা করার কথা বলেন । সেই সময় উদ্যোক্তারা মেনেও নেন। কিন্তু পরবর্তী কালে দেখা যায় টিকিটের মূল্য ২০ টাকাই রাখা হয়েছে , কমানো হয় নি মূল্য।
এ বিষয়ে আমাদের প্রতিনিধি মেলার অন্যতম আয়োজক সি সি জি মার্কেটিং এন্ড সার্ভিসেসের কর্ণধার অরিন্দম চাটার্জিকে জিজ্ঞেস করলে তিনি অত্যন্ত দাম্ভিক ভাবে জানান যে “আমার বেবির কি নাম রাখবো তার সম্পূর্ণ অধিকার আমার আছে ” । অর্থাৎ তার মেলা তাই টিকিটের মূল্য নির্ধারণ তা একান্তই তাঁর নিজস্ব, সে ক্ষেত্রে কোনো সাংবাদিক বা তাপস ব্যানার্জীর ন্যায় কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অনুরোধ তিনি মানেন না । কেননা এই মেলা সম্পূর্ণই ব্যবসায়িক ভিত্তিক, কোনো সামাজিক দায় বদ্ধতা তার নেই । এছাড়া তিনি নাকি টিকিটের মূল্য না কমানোর কথা আগেই এ ডি এর চেয়ারম্যান তাপস ব্যানার্জীকে বলেছেন, যদিও তাপস ব্যানার্জী সে কথা মানতে চাননি। উদ্যোক্তাদের এ হেন অবমাননাকার কর্ম কাণ্ডের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তার অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন এ ডি ডি যের চেয়ারম্যান তাপস ব্যানার্জী। অন্যদিকে দুর্গাপুর সুবার্বান চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, যাদের তত্ত্বাবধানে এই মেলা তার অন্যতম কর্মকর্তা তথা সভাপতি প্রফুল্ল ঘোষ ও জানান যে সি সি জি মার্কেটিং এর অরিন্দম চ্যাটার্জি তার সঙ্গেও মেলার প্রবেশের টিকিট মূল্য কমানোর বিষয়ে তার আবেদনও সারা দেন নি ।
অন্যদিকে মেলার আয়োজক উক্ত মার্কেটিং সংস্থার কর্ণধার দাম্ভিক অরিন্দম চ্যাটার্জি আগামীদিনে এই ধরণের মেলায় এ ডি ডি চেয়ারম্যান তাপস ব্যানার্জীকে আমন্ত্রণ না জানানোর কথাও জানান আমাদের । এই মেলার উধবোধন মঞ্চে তাপস ব্যানার্জী সহ সাংবাদিকদের সমবেত আবেদনে সেদিন মেলা কর্তৃপক্ষ মেনে নিলেও পরবর্তী কালে তা কার্যকর করতে না চাওয়া এই বিষয়টি সেদিন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত দুর্গাপুরের বিশিষ্ট নাগরিকগণ কেউই ভালো চোখে দেখছেন না বলেই মনে হয়।