কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবক্ষ মর্মর মূর্তি উন্মোচন

বেঙ্গল এডিটর :: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের “বই ধরো,বই পড়ো” এর উদ্যোগে পাঠকগণ গ্রন্থাগার থেকে যে কোনও বই নিতে পারবেন বিনা মূল্যে। প্রাথমিক শিক্ষা, ছোট গল্প, উচ্চশিক্ষা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মতো সব বিভাগের বই ইংরেজি, বাংলা এবং হিন্দি ভাষায় পাওয়া যায় । ১৯৭৫ – ৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ত্রিপুরার সংকর সেন শাস্ত্রী স্মৃতি গ্রন্থাগার যা পরবর্তীকালে ১৯৮১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক স্পনসর হয়। সম্প্রতি এই ত্রিপুরা শঙ্কর সেন শাস্ত্রী স্মৃতি গ্রন্থাগার এবং কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন যৌথভাবে ‘রবীন্দ্র শ্রদ্ধাঞ্জলি, ১৪২৭’ নামে একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেছিল যেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৪৪/২, এস এন ব্যানার্জি রোড, কলকাতায়। এই অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয় তার একটি মর্মর মূর্তির আবরণ উন্মোচন করে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মাননীয় অতিথিবৃন্দ যেমন জনাব নিজামূল হক্ (এম পি, রাজ্যসভা), শ্রী অশোক চক্রবর্তী (প্রেসিডেন্ট- লাইব্রেরি, আই এন টি টি ইউ সি), শ্রী দেবাঞ্জন দেব (জয়েন্ট সেক্রেটারি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার) প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তারা ছিলেন শ্রী অশোক চক্রবর্তী (মানা) এবং শ্রী দেবাঞ্জন দেব (জয়েন্ট সেক্রেটারি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)। রবীন্দ্রনাথের এই মর্মর মূর্তিটি খুব কম সময়ের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে।
শ্রী অশোক চক্রবর্তী, প্রেসিডেন্ট- লাইব্রেরি, আই এন টি টি ইউ সি এই উপলক্ষে বলেন, “আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করতে পেরে। রবীন্দ্র শ্রদ্ধান্জলি, ১৪২৭ অনুষ্ঠানটিতে বিশ্বভারতীর এবং লোকাল শিল্পীরা নাচ, গান কবিতা পরিবেশন করেন। যদিও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের মর্মর মূর্তির আবরণ উন্মোচন ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। “