টান উত্তেজনায় আজ নির্বাচন দুর্গাপুর বার এসোসিয়েশনে,প্রাথীদের জয় নির্ধারণে কি এগিয়ে নবীন প্রজন্মের ভোট
নিউজ ডেস্ক : নির্বাচন যে আগে হয় নি তা নয়। দুর্গাপুর বার এসোসিয়েশনের বিগত দিন গুলিতে নির্বাচন পারে নিয়মিত্র ভাবেই হয়ে আসছে। কিন্তু এবারের রাজ্যের আসন্ন্য বিধানসভা নির্বাচনের মুখেই দুর্গাপুর কোর্টের বার এসোসিয়েশনের এবারের
নির্বাচন এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছ। আজ আর কিছুক্ষন পরেই শুরু হবে এই নির্বাচন। আমাদের এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার আগেই আদালত চত্বরে আইনজীবীরা আস্তে শুরু করেছেন। সেজে উঠছে নির্বাচন কক্ষ, এক সুন্দর অনন্য উপ্সথাপনা।
বারের নির্বাচন আসা নিরাশার দোলাচলে প্রার্থীরা, উত্তেজনায় দুর্গাপুরের আইনজীবী মহল , আশঙ্কায় সবাই কিন্তু যেটা এবার নতুন সেটা হলো প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
কেননা বিগত কালের নিৰ্বাচনের মহলের সঙ্গে কোনোমতেই এবারের নির্বাচনের মহল এলাকার অনেকেই মিলাতে পারছেন না। এবারের নির্বাচনে একাধারে যেমন পদপ্রার্থীদের একাধিক সাংবাদিক সম্মেলনের ফলে মিডিয়া প্রচার তুঙ্গে , তেমনি প্রার্থীদের ব্যক্তিগত প্রচারের ফ্লেক্স ব্যানারে ছেয়ে গেছে আদালত চত্বর। তার সঙ্গে রয়েছে আধুনিক ডিজিটাল স্যোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে পদপ্রার্থীদের হাই – টেক প্রচার । সব মিলিয়ে আজকের নির্বাচন জমজমাট।
এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদপ্রাথী বিগত দিনের বিজয়ী আইনজীবী দেবব্রত সাই যার বিপরীতে রয়েছে দুর্গাপুরেরই বহুল পরিচিত (বিগত নির্বাচনে বারের লাইব্রেরি পোস্টে নির্বাচিত) আইনজীবী সঞ্জীব কুন্ডু। দুজনেই নিজেদের প্রাথিগত সমর্থনে সাংবাদিকদের সামনে তাদের বক্তব্য রেখেছেন। দুজনের আবেদনের মধ্যে আইনজীবী সঞ্জীব কুন্ডুর আবেদন দুর্গাপুরের নতুন প্রজন্মের ভোটারদেড় মধ্যে এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তা আদালত চত্বরে কান পাতলেই বোঝা যায়। এখন দুর্গাপুর বার এসোসিয়েশনের ৯২৪ জন ভোটের মধ্যে এই নতুন প্রজন্মের ভোটারের সংখ্যা বেশ উল্লেখযোগ্য । সঙ্গে রয়েছে দীর্খ দিন ধরে যারা এখানে উকালতি করছেন তাদের একটা বেশ বড় অংশ , তাই এবারের দুর্গাপুরের আইনজীবীদের বার এসোসিয়েশনের
নির্বাচনের ফল অনেকটাই নির্ভর করছে এই নতুন প্রজন্মের ভোটারের দিকে। তবে এবারের নির্বাচণে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ার দরুন প্রত্যেক আইনজীবী ভোটারকে এক সঙ্গে তাদের পছন্দ সই প্রাথীদের নির্বাচিত করতে এক এক জনকে অনেকগুলি করে ভোট দিতে হবে। একটু ভুল হলে বাতিল হয়ে যেতে পারে তার ভোট। তাই বিভিন্ন পদপ্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের হারে টেকনিক্যাল কারণে হতে পারে ফারাক। যার ফলে জয় পরাজয়েও ঘটে যেতে পারে অবিশ্বরণীয় কিছু ফলাফলও বলে এক শ্রেণীর আইনজীবীদের আশঙ্কা।
অসংখ্য যাই হোক নির্বাচনে কিন্তু হতে চলেছে বর্ণময় এখন দেখার শেষ হাসি কে হাসে। ভোটের কলাকূশলীতে এগিয়ে যায় করা নবীন না প্রবীণেরা
[embedyt] https://www.youtube.com/watch?v=BuBzBkxKxYM[/embedyt]