বিশ্ব আইভিএফ দিবসের প্রাক্কালে ৮৫,০০০ সফল আইভিএফ গর্ভাধানের কীর্তি স্থাপন করল ইন্দিরা আইভিএফ
নিউজ ডেস্ক, মুম্বাই ::: ভারতে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার সবচেয়ে বড় চেন ইন্দিরা আইভিএফ ৮৫,০০০ সফল আইভিএফ গর্ভাধান সম্পূর্ণ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করায় এই সংগঠনই ভারতে প্রথম। মেডিকাল বিশেষজ্ঞ ও ভ্রূণ বিশেষজ্ঞদের দৃঢ়তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার সুবাদে এই সিঙ্গল স্পেশ্যালটি চেন বিশ্ব আইভিএফ দিবসের আগে এই কীর্তি ঘোষণা করতে পারল। প্রতি বছর জুলাই ২৫ দিনটি বিশ্ব আইভিএফ দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

বাজারের সচেতন নেতা হিসাবে ইন্দিরা আইভিএফ অক্লান্তভাবে বন্ধ্যাত্বের গায়ে জড়িয়ে থাকা কলঙ্ক দূর করার লক্ষ্যে কাজ করেছে। এই সংগঠন এই বিষয়ে আলোচনাকে স্বাভাবিকত্ব দেওয়ার জন্য ৭০০-র বেশি শহরে ২১০০ সচেতনতা শিবির চালিয়েছে। ভারতে অন্তঃসত্ত্বা হতে না পারার দায়িত্বটা অপরিমিতভাবে মহিলাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, অথচ গবেষণায় দেখা গেছে বন্ধ্যাত্ব মহিলা এবং পুরুষ — দুজনেরই থাকতে পারে। এমনকি অনেকে সন্তান প্রাপ্তির জন্য অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিও অবলম্বন করেন।
ইন্দিরা আইভিএফের সারা দেশে ৯৬টি কেন্দ্র আছে, টিয়ার টু আর টিয়ার থ্রি শহরগুলোতে বড় উপস্থিতি আছে। ফলে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গাতেও বন্ধ্যাত্বের সহজলভ্য সমাধান জোগানো যায়। বাজারের এই নেতা যেসব দম্পতি প্রাকৃতিকভাবে অন্তঃসত্ত্বা হতে সমস্যার সম্মুখীন হন, তাঁদের সাধ্যের মধ্যে ভাল মানের চিকিৎসা জোগাতে বদ্ধপরিকর। ইন্দিরা আইভিএফের উঁচু সাফল্যের হার এবং রোগী কেন্দ্রিকতা তাকে বাবা-মা হতে চাওয়া মানুষের বিশ্বাসভাজন সঙ্গী করে তুলেছে।
এই মাইলফলক সম্বন্ধে ডঃ ক্ষীতিজ মুর্দিয়া – সিইও অ্যান্ড কো-ফাউন্ডার অফ ইন্দিরা আইভিএফ বললেন “আমাদের রোগীদের আমরা যে ইতিবাচক পরিণাম দিতে পেরেছি তা দেখে প্রচণ্ড আনন্দ হয়। আমরা যখন শুরু করি তখন সমাজে বন্ধ্যাত্বকে যে নজরে দেখা হয় সেটা বদলাতে চেয়েছিলাম। আজ আমরা উল্লসিত যে এখন অনেক বেশি লোক বন্ধ্যাত্বের মেডিকাল সমাধান খুঁজছেন। এই মাইলফলক এটাও প্রমাণ করে যে অতিমারীর মুখোমুখি হয়েও আমাদের রোগীরা চিকিৎসার সময়ে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে আমাদের বিশ্বাস করেছেন।”
তিনি আরো বলেন “বিশ্ব আইভিএফ দিবস প্রজনন প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অসাধারণ দিনের সূচক। আজ থেকে ৪৩ বছর আগে ১৯৭৮ সালের এই দিনে পৃথিবীর প্রথম আইভিএফ শিশুর জন্ম হয়েছিল। আমরা তারপর অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্বয়ংক্রিয়তার মত প্রযুক্তিগত উন্নতির এই ক্ষেত্রে প্রবেশ আইভিএফ চিকিৎসার সাফল্যে বড়সড় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমরা এই বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের সামান্য ভূমিকাটুকু পালন করতে এবং যাঁরা বাবা-মা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের সাহায্য করতে উদগ্রীব।”